April 20, 2026, 3:16 am

অবৈধ টাকায় তিতাস কর্মচারি শামসুদ্দিনের পকেট ভারী ।

স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জে তিতাসের অবৈধ সংযোগের নেপথ্যে তিতাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী; সচেতন মহলের এমন অভিযোগ পুরনো হলেও তা আলোচনায় এসেছে আবারো । সম্প্রতি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন নারায়ণগঞ্জ ডিভিশনের নারায়ণগঞ্জ সদর ও সিদ্ধিরগঞ্জের টেকনিশিয়ান এর সাহায্যকারী শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ওই অভিযোগের পর থেকেই তিতাসের অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারিদের দুর্নীতি-অনিয়মের বিষয়টি পূনরায় আলোচনায় এসেছে।
 
নারায়ণগঞ্জ সদর, সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন আবাসিক ভবন ও বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে এসব অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তিতাসের সাহায্যকারী হলেও অবৈধ টাকায় নামে বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি । এসব অসাধু কর্মচারীদের কারণে পর পর কয়েকটি অবৈধ গ্যাস সংযোগ থেকে বিস্ফোরণসহ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগে উঠেছে।
 
এদিকে,তিতাসের অন্যান্য অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগের তীর ছুড়ছে সচেতন মহল। অভিযোগ কারীদের মধ্যে অনেকে জানান, শামসুদ্দিন তিতাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম করে মাসে মাসে টাকা তোলার ও অভিযোগ উঠেছে । তাই, অবৈধ সংযোগের অর্থ অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটেও যাওয়ার কথা! জেলাজুড়ে অবৈধ পন্থায় গ্যাস সংযোগ দিয়ে তিতাসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারিরা অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অসাধু মহলের পকেট ভারি হলেও হাজার হাজার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
 

, অভিযোগকারীরা জানান নারায়ণগঞ্জসহ সারাদেশে তিতাসের গ্যাস সংযোগ দেয়া বন্ধ রয়েছে। তবে, ২০১৫ সালের পর নারায়ণগঞ্জ সদর সিদ্ধিরগঞ্জে গড়ে উঠা অধিকাংশ আবাসিক ভবন এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রয়েছে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ। এমনকি বাসাবাড়িতে গ্যাসের চুলা নিয়েও হচ্ছে অনিয়ম। ফলে বৈধ গ্রাহকদের প্রশ্ন, ২০১৫ সালের পর থেকে গ্যাসের নতুন সংযোগ দেয়ার বিষয়ে সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এসব বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে গ্যাসের সংযোগ এলো কি করে ?
 

 

  শামসুদ্দিন তিতাস কেন্দ্রীক নানা অপকর্মে লিপ্ত। গ্যাস সংযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে নানাভাবে অনিয়ম ও দূর্নীতি করে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে তার বাৎসরিক আয় প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। এ অবৈধ আয় দিয়ে নামে বেনামে ক্রয় করেছেন জমি ও ফ্ল্যাট।ডেমরা রানীমহল বালুঘাটে দের কোটি টাকা দিয়ে কিনেছেন প্লেট।
 
সে প্রায় বাসা বাড়িতে ও কল-কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে মাসিক ও বাৎসরিক টাকা আদায় করে আসছে বছরের পর বছর ধরে। এ অবৈধ গ্যাস সংযোগ তিতাসের অভিযানে বিচ্ছিন্ন করা হলেও পরবর্তিতে টাকার বিনিময়ে তা পুণরায় সংযোগ দিয়ে আসছে শামসুদ্দিন এমন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।নারায়ণগঞ্জে দীর্ঘদিন চাকরি করার কারনে বদলী হলেও সে পূনরায় আবার বদলী হয়ে নারায়ণগঞ্জে যোগদান করে। তার সম্পদ ব্যাংক হিসাব ও স্ত্রী সন্তানের সম্পত্তির বিবরণী রহস্য উদঘাটন করলে বেরিয়ে আসবে আসল রহস্য।

শামসুদ্দিনের মোবাইলে একাধিক বার ফোন করলে তার মোবাইল টি বন্ধ পাওয়া যায়।
 

বিস্তারিত আসছে আগামীর সংখ্যায়।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা